মোবাইল ডিভাইস পরীক্ষা
ডেড-জোন গ্রিড

গ্রিডে আঙুল বোলান। অন্ধকার ঘরগুলো এখনো পরীক্ষা করা হয়নি; ত্রুটি ভাবার আগে আবার চেষ্টা করুন। মাউসের নড়াচড়া গণনা হয় না।

এখন স্পর্শ করছি 0
সর্বোচ্চ পয়েন্ট 0
এলাকা আচ্ছাদিত 0%

ফোন টেস্ট অনলাইন: টাচ স্ক্রিন, ক্যামেরা, সেন্সর ও ভাইব্রেশন

এই ফোন টেস্ট অনলাইন কোনো অ্যাপ ইনস্টল ছাড়াই আপনার মোবাইল ব্রাউজার থেকেই চারটি মূল হার্ডওয়্যার পরীক্ষা করে — টাচ স্ক্রিন, ক্যামেরা, মোশন সেন্সর এবং ভাইব্রেশন মোটর। যে ফোনটি যাচাই করতে চান তাতে পেজটি খুলুন এবং মাত্র পাঁচ মিনিটেই জেনে নিন স্ক্রিনে কোনো ডেড জোন আছে কি না, ক্যামেরা স্পষ্ট ছবি দেয় কি না, সেন্সরগুলো সঠিক কোণ দেখাচ্ছে কি না এবং মোটরটি ঠিকমতো কাঁপছে কি না। কোনো ডেটা আপলোড হয় না: প্রিভিউ ও পাঠ সবই ডিভাইসে সংরক্ষিত থাকে।

অ্যাপ ছাড়াই ব্রাউজার কী কী পরীক্ষা করতে পারে

টাচ ইভেন্ট অপারেটিং সিস্টেমের পাঠানো প্রতিটি স্পর্শবিন্দু শনাক্ত করে, ফলে আপনার আঙুল স্ক্রিনের কোথায় পড়েছে আর কোথায় কাজ করেনি তা সঠিকভাবে এঁকে ফেলা যায়। getUserMedia ক্যামেরা চালু করে আসল স্ট্রিম রেজোলিউশন প্রদর্শন করে। ডিভাইস অরিয়েন্টেশন ইভেন্ট প্রতি সেকেন্ডে বহুবার ডিভাইসের কাত হওয়ার কোণ রিপোর্ট করে এবং navigator.vibrate অ্যান্ড্রয়েডে ভাইব্রেশন মোটর পরিচালনা করে।

কোনো অ্যাপ ইনস্টল করার ঝামেলা না থাকাই অনলাইন ফোন পরীক্ষার প্রধান সুবিধা: টাকা দেওয়ার আগের ত্রিশ সেকেন্ডেই আপনি ব্রাউজারে একটি ওয়েবপেজ খুলে যাচাই করতে পারেন। এই প্যানেলগুলো আসল কারিগরি সংখ্যা প্রদর্শন করে, কোনো কৃত্রিম সবুজ পাস ব্যাজ দেয় না — যা কোনো ব্রাউজারের পক্ষে সত্যভাবে দেওয়া সম্ভব নয়।

চারটি হার্ডওয়্যার টেস্ট এবং এদের কার্যকারিতা

প্রতিটি ডায়াগনস্টিক প্যানেল একটি নির্দিষ্ট হার্ডওয়্যার অংশকে আলাদা করে পরীক্ষা করে এবং প্রতিটি টুলের জন্য ডিভাইসের সমস্যা শনাক্তকরণের আলাদা তথ্য রয়েছে।

টাচ স্ক্রিন ও ডেড জোন

টাচ স্ক্রিন টেস্ট স্ক্রিনের ওপর ১০ × ১৫ গ্রিড প্রদর্শন করে এবং আপনার আঙুল যে যে ঘরে ছোঁয় সেগুলো ভরাট করে। আঙুল না তুলে পুরো গ্রিড জুড়ে ধীরে ধীরে সোয়াইপ করুন; যে ঘরগুলো খালি থেকে যায় সেখানে ডিজিটাইজার কাজ করছে না। একটি সম্পূর্ণ সুস্থ স্ক্রিন ১০০% কভারেজ অর্জন করে এবং স্পর্শবিন্দুর সর্বোচ্চ সংখ্যা ধরে রাখে — অধিকাংশ ফ্ল্যাগশিপ অ্যান্ড্রয়েডে দশটি ও সাফারিতে আইফোনে পাঁচটি।

ক্যামেরা, রেজোলিউশন ও ফ্রেম রেট

অনলাইন ক্যামেরা টেস্ট একটি ১৯২০ × ১০৮০ রেজোলিউশনের স্ট্রিম অনুরোধ করে এবং বাস্তবে প্রাপ্ত রেজোলিউশন ও লাইভ ফ্রেম রেট প্রদর্শন করে। ফোনটি একটি উজ্জ্বল সাদা দেয়ালের দিকে তাক করুন: ফোন নাড়ানোর পরেও স্ক্রিনে যেসব কালো দাগ একই জায়গায় স্থির থাকে, সেগুলো লেন্সের ভেতরের ধুলো বা সেন্সরের ক্ষতি নির্দেশ করে। স্ন্যাপশট বোতাম দিয়ে সরাসরি পিএনজি ছবি ডাউনলোড করা যায়।

মোশন সেন্সর ও বাবল লেভেল

অ্যাক্সিলোমিটার ও জাইরোস্কোপ টেস্ট অরিয়েন্টেশন ডেটাকে বাবল লেভেল ও তিনটি কোণে রূপান্তর করে: আলফা (yaw), বিটা (pitch) ও গামা (roll)। সম্পূর্ণ সমতল পৃষ্ঠে বিটা ও গামার মান শূন্যের খুব কাছাকাছি স্থির থাকা উচিত। সম্পূর্ণ স্থির থাকা অবস্থায় বাবল বা কোণ নিজে থেকে নড়াচড়া করলে সেন্সরে ত্রুটি রয়েছে বা রিক্যালিব্রেশন প্রয়োজন।

ভাইব্রেশন মোটর ও হ্যাপটিক্স

ফোন কম্পন পরীক্ষা চারটি আলাদা প্যাটার্ন চালায়: ১০০ মিলি-সেকেন্ডের পালস, ৫০০ মিলি-সেকেন্ডের টানা কম্পন, ৮০ মিলি-সেকেন্ডের ডাবল ট্যাপ এবং একটি মোর্স কোড এসওএস সিগন্যাল। ফোনটি শক্ত টেবিলে না রেখে হাতের তালুতে ধরুন, কারণ টেবিল দুর্বল কম্পন শোষণ করে ফেলে। মোটর যদি মাঝে মাঝে কাজ না করে বা ভেতরে কোনো আলগা ঝনঝন শব্দ করে, তবে তা মাউন্ট থেকে আলগা হয়ে গেছে।

পাঁচ মিনিটে ব্যবহৃত পুরাতন ফোন যাচাইয়ের উপায়

প্রথমে দ্রুত ও তাৎক্ষণিক পরীক্ষাগুলো করুন, কারণ এর যেকোনো একটিতেই ফোন কেনার সিদ্ধান্ত বাতিল হতে পারে:

  • ডায়াল করুন *#06# এবং ফোনের বক্স ও সেটিংসের সাথে আইএমইআই (IMEI) নম্বর মেলান। বিক্রেতা যদি ব্ল্যাকলিস্ট বা চুরি হওয়া ডেটাবেসে চেক করতে না দেয়, তবে সেই চুক্তি থেকে সরে আসুন।
  • ব্যাটারির স্বাস্থ্য: আইফোনে: সেটিংস → ব্যাটারি → ব্যাটারি হেলথ। সাম্প্রতিক অ্যান্ড্রয়েডে: সেটিংস → ব্যাটারি। ৮০%-এর নিচে নামলে ব্যাটারি দ্রুত পরিবর্তন করতে হবে।
  • অ্যাকাউন্ট লক: আইক্লাউড (iCloud) সাইন আউট বা গুগল অ্যাকাউন্ট সম্পূর্ণ মুছে ফেলা হয়েছে কি না দেখুন — লক করা ফোন কোনো কাজেই আসবে না।
  • ব্রাউজারের চারটি টেস্ট: উজ্জ্বল আলোতে টাচ গ্রিড সবার আগে চালান: স্ক্রিন প্রটেক্টরের নিচে সূক্ষ্ম ফাটল থাকলে তা খালি চোখে দেখার আগেই ডেড সেলের কলাম হিসেবে ধরা পড়বে।
  • বাটন ও পোর্ট: প্রতিটি বাটন, আসল চার্জার ক্যাবল দিয়ে চার্জিং পোর্ট, উভয় স্পিকার এবং ফ্রন্ট ও ব্যাক ক্যামেরা যাচাই করুন।

বাস্তব সীমাবদ্ধতা: ব্রাউজার যা যাচাই করতে পারে না

প্রতিটি অনলাইন ফোন টেস্ট ব্রাউজারের স্যান্ডবক্সে চলে এবং গোপনীয়তা সুরক্ষার জন্যই এই নিরাপত্তা তৈরি: পেজকে হার্ডওয়্যারের অনুমতি চাইতে হয়, ব্রাউজার তা বাতিল করতে পারে এবং কিছু তথ্য সরাসরি পাওয়া যায় না। ফোন নষ্ট মনে করার আগে এই সীমাবদ্ধতাগুলো জেনে নিন:

  • অনুমতি ছাড়া কাজ করে না: ক্যামেরার জন্য এইচটিটিপিএস পেজে স্পষ্ট অনুমতি প্রয়োজন; একবার বাতিল করলে পারমিশন ক্লিয়ার না করা পর্যন্ত ডিসপ্লে কালো থাকবে। কিছু না দেখালে তা হার্ডওয়্যার নয়, বরং অনুমতির সমস্যা হতে পারে।
  • আইওএসে ভাইব্রেশন সম্পূর্ণ বন্ধ: অ্যাপল ওয়েবকিটে ভাইব্রেশন এপিআই যোগ করেনি এবং আইফোনের সব ব্রাউজারই ওয়েবকিট দিয়ে চলে, ফলে কোনো ওয়েবসাইট আইফোনে কম্পন তৈরি করতে পারে না। এটি কাজ না করার কারণ ব্রাউজার অসমর্থিত হওয়া।
  • আইওএস মোশন সেন্সরে আলাদা অনুমতি লাগে: আইওএস ১৩ থেকে সাফারিতে ব্যবহারকারীর স্পর্শ ছাড়া ওয়ান-অফ পারমিশন না দিলে ওরিয়েন্টেশন ডেটা আসে না। স্টার্ট বাটনে চাপ দিয়ে অনুমতি না দিলে কোণ ০ / ০ / ০ হিসেবে আটকে থাকবে।
  • স্ট্রিম রেজোলিউশন বনাম ক্যামেরা মেগাপিক্সেল: প্যানেল ১০৮০পি ভিডিও স্ট্রিম চায় ও তা দেখায়, ফলে ৪৮ মেগাপিক্সেলের ফোনেও রেজোলিউশন ১৯২০ × ১০৮০ দেখাবে। এটি ক্যামেরার আসল মেগাপিক্সেল গণনা নয়।
  • ফ্রেম রেট হলো রেন্ডার লুপ: এটি ব্রাউজারের স্ক্রিন রিফ্রেশ রেটের ওপর নির্ভরশীল এবং ট্যাব বদলালে কমে যায়। এটিকে শুধু লাইভ প্রিভিউ কতটা মসৃণ তা বোঝার মাপকাঠি ভাবুন।
  • টাচ শুধু ক্যানভাসে সীমাবদ্ধ: ডিসপ্লের একেবারে শেষ প্রান্ত, নচ ও সিস্টেম জেসচার এরিয়া অপারেটিং সিস্টেমের নিয়ন্ত্রণে থাকে। তাই শেষ কয়েক মিলিমিটারের ডেড জোন ধরা নাও পড়তে পারে। ব্রাউজার টাচ স্যাম্পলিং রেটও পায় না।
  • ফ্যাক্টরি ক্যালিব্রেশন নয়: প্রস্তুতকারকদের অভ্যন্তরীণ টেস্ট রেফারেন্সের সাথে তুলনা করে নির্ভুলতা মাপে। ব্রাউজার শুধু দেখে সেন্সর সাড়া দিচ্ছে কি না, ডেটা কতটা নির্ভুল তা নিশ্চিত করতে পারে না।

ডায়ালার টেস্ট কোড এবং ওয়েবপেজের চেয়ে তাদের সুবিধা

অ্যান্ড্রয়েড ফোন নির্মাতারা ফোন অ্যাপের মধ্যে গোপন হার্ডওয়্যার ডায়াগনস্টিক মেনু রাখে, যা যেকোনো ব্রাউজারের চেয়ে গভীরে গিয়ে পরীক্ষা করতে পারে: জাইরোস্কোপ সেলফ-টেস্ট, মোটরের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ ও ডিসপ্লের সাব-পিক্সেল যাচাই:

  • *#06# — আইএমইআই (IMEI) দেখার সার্বজনীন কোড, আইফোনেও কাজ করে।
  • *#0*# — স্যামসাং টেস্ট মোড: টাচ, সেন্সর, ভাইব্রেশন, স্পিকার ও ডিসপ্লে।
  • *#*#64663#*#* — শাওমি, রেডমি ও পোকো ফোনের জন্য সিআইটি (CIT) হার্ডওয়্যার টেস্ট।

দুটি সতর্কতা। কোডগুলো সবসময় নির্ভরযোগ্য নয়: স্যামসাংয়ের সাম্প্রতিক ওয়ান ইউআই-তে অটো ব্লকার এই মেনু বন্ধ রাখে এবং বেশ কিছু অপারেটরের ফোনে এটি নিষ্ক্রিয় থাকে। এছাড়া সব কোড নিরাপদ নয় — কিছু কোড নিশ্চিতকরণ ছাড়াই ফ্যাক্টরি রিসেট করে সব ডেটা মুছে দিতে পারে, তাই অপ্রমাণিত কোড ডায়াল করবেন না। আইফোনে *#06# ছাড়া কোনো কোড নেই।

ফলাফলের বিশ্লেষণ: সফটওয়্যার সমস্যা নাকি হার্ডওয়্যার ত্রুটি

পরীক্ষায় ত্রুটি পাওয়া মানেই ফোনটি নষ্ট হয়ে গেছে এমন নয়। ফোনটি রিস্টার্ট করুন, ব্যাক কভার ও স্ক্রিন প্রটেক্টর খুলে ফেলুন এবং স্ক্রিন পরিষ্কার ও শুকনো রাখুন — তেল চিটচিটে বা ঘামে ভেজা স্ক্রিনে ডেড জোন ও ভুতুড়ে টাচ তৈরি হতে পারে যা মুছে ফেললেই ঠিক হয়ে যায়।

হার্ডওয়্যার ত্রুটি সবসময় একই স্থানে বারবার ঘটে: দুটি ভিন্ন ব্রাউজারে একই কলামে সবসময় ডেড সেল দেখা দিলে তা ডিজিটাইজারের সমস্যা। অন্যদিকে সফটওয়্যার ত্রুটি একেকবার একেক রকম হয় — রিস্টার্টের পর ঠিক হয়ে যায় বা একটিমাত্র ব্রাউজারে দেখা দেয়। টাচ সমস্যা যদি কেবল একটি অ্যাপে দেখা যায়, তবে সেফ মোডে ফোন চালিয়ে যাচাই করুন।

মোবাইল ফোন টেস্ট সম্পর্কিত সাধারণ জিজ্ঞাসা

পুরাতন বা সেকেন্ড হ্যান্ড ফোন কেনার সময় কী কী পরীক্ষা করা উচিত?

সবার আগে *#06# দিয়ে আইএমইআই এবং কোনো আইক্লাউড বা গুগল অ্যাকাউন্ট লক আছে কি না দেখে নিন — কারণ লক করা ফোন কোনোভাবেই ব্যবহারযোগ্য নয়। এরপর ব্যাটারির স্বাস্থ্য এবং তারপর হার্ডওয়্যার: টাচ গ্রিড, উভয় ক্যামেরা, মোশন সেন্সর, ভাইব্রেশন, প্রতিটি বাটন, কেবল দিয়ে চার্জিং পোর্ট এবং উভয় স্পিকার। টাচ টেস্টটি ভালো আলোতে উজ্জ্বলতা বাড়িয়ে করুন, কারণ স্ক্রিনের নিচে থাকা সূক্ষ্ম ফাটল চোখে পড়ার আগেই ডেড কলাম তৈরি করে।

আইফোনে ওয়েবসাইটের জন্য মোশন ও অরিয়েন্টেশন অ্যাক্সেস কীভাবে চালু করব?

এখন আর কোনো স্থায়ী গ্লোবাল সুইচ নেই — আইওএস ১৩ থেকে সাইটকে প্রতিবার অনুমতি চাইতে হয় এবং ব্যবহারকারীকে তা অনুমোদন করতে হয়। এই অনুরোধটি কোনো ট্যাপ থেকেই আসতে হবে, তাই অ্যাক্সিলোমিটার ও জাইরোস্কোপ টেস্ট পাতায় রিডিংস নিজে থেকে আসার অপেক্ষা না করে সরাসরি “Start sensor test” বাটনে চাপ দিন। প্রম্পটটি বাতিল করে থাকলে পেজ রিফ্রেশ করুন, অথবা সেটিংস → সাফারি → অ্যাডভান্সড → ওয়েবসাইট ডেটা থেকে সাইটের ডেটা ক্লিয়ার করে আবার খুলুন।

আইফোনে ভাইব্রেশন টেস্ট কেন কোনো কাজ করছে না?

কারণ সাফারি ব্রাউজার ভাইব্রেশন এপিআই সমর্থন করে না এবং কখনই করেনি। আইওএসের সমস্ত ব্রাউজার — ক্রোম, ফায়ারফক্স, এজ — অ্যাপলের ওয়েবকিট ইঞ্জিন ব্যবহারে বাধ্য, ফলে কোনো ওয়েবপেজ আইফোনের ট্যাপটিক ইঞ্জিন চালাতে পারে না। এটি একটি প্ল্যাটফর্ম সীমাবদ্ধতা, আপনার ফোনের ত্রুটি নয়। ভাইব্রেশন পরীক্ষা করতে সেটিংস → সাউন্ডস অ্যান্ড হ্যাপটিক্স দেখুন, অথবা সাইলেন্ট সুইচে রিং বাজিয়ে পরীক্ষা করুন।

আমার স্যামসাং ফোনে *#0*# টেস্ট কোড কাজ করছে না — এটি কীভাবে সমাধান করব?

অটো ব্লকার বন্ধ করুন এবং আবার ডায়াল করুন। এটি সেটিংস → সিকিউরিটি অ্যান্ড প্রাইভেসি → অটো ব্লকার মেনুতে থাকে এবং ওয়ান ইউআই-র নতুন ভার্সনে ডায়ালার কোড নিষ্ক্রিয় করে দেয়। কোডটি তবুও ইনভ্যালিড এমএমআই দেখালে এটি ক্যারিয়ার ফার্মওয়্যারের কারণে বন্ধ করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে স্যামসাং মেম্বারস অ্যাপের ডায়াগনস্টিক টুল ব্যবহার করুন অথবা সরাসরি এই ওয়েবপেজ থেকে হার্ডওয়্যার পরীক্ষা করুন।

আমার স্ক্রিনের ঠিক মাঝখানে ঘোস্ট টাচ হচ্ছে — ডিসপ্লে কি নষ্ট হয়ে গেছে?

ঘোস্ট টাচ মানে ডিজিটাইজার স্পর্শ ছাড়াই নিজে থেকে ইনপুট রেজিস্টার করছে এবং এটি প্রায় নিশ্চিতভাবেই একটি হার্ডওয়্যার সমস্যা। গ্রিডের ওপর একটি আঙুল টানুন: আপনি যেখানে স্পর্শ করেননি সেখানে ঘর সক্রিয় হলে বা স্পর্শবিন্দুর সংখ্যা আঙুলের চেয়ে বেশি বাড়লে প্যানেল নিজে সিগন্যাল তৈরি করছে। স্ক্রিন প্রটেক্টর ও কভার খুলে ফোন রিস্টার্ট করে পুনরায় পরীক্ষা করুন — এতে বাহ্যিক কারণ দূর হবে।

আমার ফোনের স্ক্রিনে একসাথে কতগুলো আঙুল সাপোর্ট করা উচিত?

অধিকাংশ ফ্ল্যাগশিপ অ্যান্ড্রয়েডে ১০টি, সাফারিতে আইফোনে ৫টি এবং কমদামী ফোনে ২ থেকে ৫টি স্পর্শবিন্দু সাপোর্ট করে। সবকটি আঙুল একসাথে স্ক্রিনে রাখুন এবং সর্বোচ্চ পয়েন্ট কাউন্টারটি দেখুন। মনে রাখবেন ব্রাউজার কেবল অপারেটিং সিস্টেম থেকে পাওয়া তথ্যই দেখায়, তাই কম পয়েন্ট ব্রাউজারের সীমাবদ্ধতাও হতে পারে — সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ফোনের নিজস্ব ডায়াগনস্টিক্সে পরীক্ষা করে নেওয়া ভালো।

আমার ফোনের ক্যামেরায় একটি কালো দাগ দেখা যাচ্ছে — এটি নষ্ট কি না কীভাবে বুঝব?

ক্যামেরাটি একটি উজ্জ্বল সাদা দেয়ালের দিকে তাক করুন এবং ফোনটি ধীরে ধীরে নাড়ান: দাগটি যদি স্ক্রিনের একই স্থানে অনড় থাকে তবে তা দৃশ্যের অংশ নয়, ক্যামেরার ভেতরের ত্রুটি। প্রথমে বাইরের লেন্সের গ্লাসটি ভালোভাবে মুছে নিন, কারণ ময়লা ও তেল থেকেও এমন হতে পারে। পরিষ্কার করার পরও দাগটি থেকে গেলে একটি স্ন্যাপশট নিয়ে বড় স্ক্রিনে জুম করুন — স্থির কালো দাগ মানে লেন্সের ভেতরের ধুলো বা সেন্সরের স্থায়ী ক্ষতি যা মেরামতের প্রয়োজন।